রাবার বুলেট কী?
রাবার বুলেটের নামকরণ এমনভাবেই করা যেন শুনতে মনে হয় খেলনা রাবারের বুলেট, যেটি কোনো ক্ষতি করতে পারে না। নন-লিথাইল বন্দুক (মারণাস্ত্র নয়) মূলত শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত নানা বিক্ষোভ, দাঙ্গা, আন্দোলনকে ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। নন-লিথাইল অস্ত্র প্রস্তুত করার মূল লক্ষ্য ছিল সেটি যেন মানুষের কোনো ক্ষতি না করে। রাবার বুলেট নামটা শুনলে যতই খেলনা খেলনা প্লাস্টিক বা রাবারের বুলেটের মত মনে হয়, কিন্ত সেটি মোটেই সেরকম নয়।
রাবার বুলেট মানবদেহের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি আঘাত করতে পারে, ফলে চিরতরে হাত-পায়ে ভাঙন, চোখে অন্ধ, মস্তিষ্কে রক্তপাত থেকে শুরু করে, কিডলি, লিভারে রক্তপাতের কারণ হতে পারে এবং অতিরিক্ত ইনফেকশন থেকে মৃত্যূও হতে পারে!
রাবার বুলেট নানা ধরনের হতে পারে—এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ রাবারের তৈরি বুলেট অথবা ধাতব বুলেটের উপরে রাবারে আচ্ছাদন। রাবারের আচ্ছাদনটি বুলেটে মূলত তার বিশেষ গড়ন, ওজন ও আকৃতি প্রদানের জন্য ব্যাবহৃত হয়ে থাকে। রাবার বুলেটের এই গড়নের জন্য ছোঁড়ার পর সেটি খুব দ্রুত গতি হারাতে থাকে। অনেক দূর থেকে ছুঁড়লে তা চামড়া ভেদ করে যেতে পারে না এবং সেই উদ্দেশ্যেই এটি ব্যাবহৃত হয়। কিন্তু খুব কাছ থেকে ছুঁড়লে রাবার বুলেটেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। রাবার বুলেট ছুঁড়লে তা পা বা উরু লক্ষ্য করেই ছোঁড়ার কথা যেন বিশেষ কোনো ক্ষতি না হয়। এসব নিয়ম মেনে রাবার বুলেট ছোঁড়া হলে তা অনেকটা ছোট বলের আঘাতের মতই মনে হবে।
রবার বুলেট মূলত একধরনের কচও (শরহবঃরপ রসঢ়ধপঃ ঢ়ৎড়লবপঃরষব) এটি মূলত অস্ত্র থেকে নেওয়া গতিশক্তিকে মানুষের দেহে সঞ্চারিত করে। এর বিশাল ও ভিন্ন আকৃতি এবং স্বল্প গতির জন্য কখনই এটি সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছায় না। তাই অনেক সময় না চাওয়া সত্ত্বেও অনেক গুরুতর আঘাতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই নানা ধরনের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন থামানো বা ছত্রভঙ্গ করতে এ ধরনের অস্ত্রের ব্যাবহার মোটেই সঠিক নয়, কাম্যও নয়।
সামিহা সুলতানা অনন্যা
সাহিত্যজগতে অনন্য প্রতিভা। সবসময়ই নিজের লেখা দিয়ে পাঠকের মন ছুঁয়েছেন, ভাবনা জাগিয়েছেন ভিন্নতার। মফস্বলে বেড়ে ওঠা। নিত্য দিনের জীবন থেকেই লেখার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়েছেন। প্রকাশনার ক্ষেত্রে নতুন হলেও তাঁর হৃদয়গ্রাহী বর্নণার মাধ্যমে জীবন, প্রকৃতির জীবন্ত এক চিত্রই পাঠকের সামনে হাজির করেন।
-
গাছেরা কি কিছু বলে? অনেকে বলিবেন, এ আবার কেমন প্রশ্ন? গাছ কি কোনও দিন কথা কহিয়া থাকে? মানুষেই কি সব কথা ফুটিয়া বলে? আর যাহা ফুটিয়া বলে না, তাহা কি কথা নয়? আমাদের একটী খোকা আছে, সে সব কথা ফুটিয়া বলিতে পারে না; আবার ফুটিয়া যে দুই চারিটা কথা বলে, তাহাও এমন আধ আধ, ভাঙা ভাঙা যে, অপরের সাধ্য নাই তাহার অর্থ বুঝিতে পারে। কিন্তু আমরা আমাদের খোকার সকল কথার অর্থ বুঝিতে পারি। কেবল তাহা নয়। আমাদের খোকা অনেক কথা ফুটিয়া বলে না; চক্ষু, মুখ ও হাত নাড়া, মাথা নাড়া প্রভৃতির দ্বারা আকার ইঙ্গিতে অনেক কথা কয়, আমরা তাহা বুঝিতে
-
গাছ পোকা খায়! কী সাংঘাতিক কাণ্ড! তবে কি উদ্ভিদজগতেও আছে মাংসাশী আর নিরামিষাশীর দল? হ্যাঁ আছে বটে। আজ আমরা সেই মাংসাশী গাছের কথা জানবো, যাদেরকে বলা হয় পতঙ্গভুক উদ্ভিদ। এগুলো সাধারণত গুল্ম জাতীয়।
এটুকু আমরা সবাই আমরা জানি, গাছ সাধারণত সবুজ পাতায় সূর্যের আলোর সাহায্যে (সালোকসংশ্লেষণ) নিজের খাবার নিজেই তৈরি করে। কিন্তু এমন কিছু গাছ আছে, যাদের শুধু এভাবে পেট ভরে না! আমাদের যেমন শুধু ভাত বা রুটি খেলে চলে না, পুষ্টির জন্য বাড়তি আরও কিছু খেতে হয়। গাছেরও ক্ষেত্রেও তাই। গাছ সূর্যের আলোর সাহায্যে শর্করা তৈরি করে। শর্করা থেকে কার্বন, অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন পাওয়া যায়। এ ছাড়াও গাছের বেঁচে
Leave A Comment
Don’t worry ! Your email address will not be published. Required fields are marked (*).
Stay Connected
Get Newsletter
Subscribe to our newsletter to get latest news, popular news and exclusive updates.
Featured News
Advertisement
-
welcome
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
-
Thank you
- by bappi
- ১৫ Jan ২০২৬
-
good
- by Shamim Ahmed Chowdhury
- ১৫ Jan ২০২৬
Comments